সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬ , ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি সংকটে ভোগান্তি বাড়ছেই জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী ইভটিজিং প্রতিরোধে শহরে পুলিশের বিশেষ অভিযান বাঁধ দুর্বল, আকাশে মেঘ, দুশ্চিন্তায় হাওরপাড়ের কৃষক নষ্ট হওয়ার পথে হাজারো হেক্টর জমির ধান ‎জামালগঞ্জে অবৈধভাবে মজুত ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ ইরানকে ১০ দিনের আলটিমেটাম ট্রাম্পের কার্ডের মাধ্যমে আড়াই হাজার টাকার সার-বীজ দেওয়া হবে কৃষকদের সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনা তাহিরপুরে সেতুর অভাবে যুগ যুগ ধরে দুর্ভোগে চার গ্রামের মানুষ ভূমধ্যসাগরে নিহত ১২ যুবকের পরিবারে কান্না থামছেনা, ৯ দালালের বিরুদ্ধে মামলা হামের লক্ষণ নিয়ে দুই শিশু হাসপাতালে ভর্তি, আরও একজনকে সিলেটে রেফার হাওরের ধান ঘরে তুলতে জেলা প্রশাসনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি ‎জামালগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধ পিআইসি কমিটির সভা জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে চলছে বাদাঘাট পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের কার্যক্রম ছাতকে ‘দুর্বল বাঁধ’ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক দেখার হাওরের জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসনের দাবি ভূমধ্যসাগরে গ্রিসগামী নিহত ১২ যুবকের মরদেহ পেতে স্বজনদের আকুতি ভূমধ্যসাগর ট্র্যাজেডি : একমাত্র পুত্রের শোকে প্রবাসী পিতা আইসিইউতে, লাশ ফেরত পেতে মায়ের আকুতি সব হারিয়ে ব্যবসায়ীরা নিঃস্ব, প্রায় ৯ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি, তদন্ত কমিটি গঠন

রাজনীতিবিদরা ক্রান্তিকালে ফের কি হতাশ করছে আমাদের?

  • আপলোড সময় : ০৮-১১-২০২৫ ০৮:৫৭:৫২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-১১-২০২৫ ০৮:৫৭:৫২ পূর্বাহ্ন
রাজনীতিবিদরা ক্রান্তিকালে ফের কি হতাশ করছে আমাদের?
ড. মো. আব্দুল হামিদ:: আপনি কেন রাজনীতি করেন? এ প্রশ্ন যদি একশ জন রাজনীতিবিদকে করা হয় তবে তাদের জবাবটা কেমন হবে? তারা প্রত্যেকেই সুন্দর সুন্দর কথা বলবেন। এই যেমন মানুষের কল্যাণ করা, দেশের সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা কিংবা বিশেষ কোনো আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা। আপাতদৃষ্টে এতে কোনো সমস্যা নেই। বরং বিষয়টা সুন্দর ও শ্রুতিমধুর। কিন্তু সমস্যা হলো সাধারণ মানুষ কি তাদের ওই কথাগুলো বিশ্বাস করে? না, অধিকাংশের কথাই মানুষ বিশ্বাস করে না। তারা যে মোড়কেই রাজনীতি করেন না কেন, তাদের ভাবনার কেন্দ্রে যে দেশ বা জনগণ নেই সে ব্যাপারে সাধারণ মানুষ মোটামুটি নিশ্চিত। তাই তারা নিরুপায় হয়ে অধিকাংশ রাজনীতিবিদকে সহ্য করলেও তাদের বিশ্বাস করে না। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এ প্রবণতা অত্যন্ত স্পষ্ট। কিন্তু আমাদের প্রচলিত ধারার রাজনীতিবিদরা সেটা ধরতে পারছেন কি? খুব সম্ভবত না। আর সে কারণেই তারা অতি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বহু বছরের পুরনো সেই কাসুন্দি ঘাঁটছেন! কেন তেমনটা মনে হচ্ছে? কারণটা খুব স্পষ্ট। বিগত বহু বছর আমরা রাজনীতির এক নির্দিষ্ট ছকে আটকে ছিলাম। সেখানে রাজনীতিবিদদের দ্বারা অত্যাচারিত বা নিষ্পেষিত হওয়াই আমজনতার নিয়তি বলে মেনেও নেয়া হয়েছে। কিন্তু চব্বিশের অভূতপূর্ব গণজাগরণ তা থেকে মুক্তির প্রবল এক সম্ভাবনা জাগিয়েছিল। সাধারণ মানুষ বড় এক পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল। সেই পালে আরো হাওয়া দিয়েছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রধান উপদেষ্টা পদ গ্রহণে সম্মত হওয়ার বিষয়টি। সাধারণ মানুষ প্রত্যাশা করেছিল, এবার সত্যিই একটা লক্ষণীয় পরিবর্তন আসবে। কিন্তু গত এক বছরের সামগ্রিক কর্মকা-ে আমজনতা মোটের ওপর হতাশ। তারা রাজনীতিচর্চায় যে গুণগত পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলেন তা ক্রমেই হতাশায় এমনকি দুরাশায় রূপ নিচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রয়োজনীয় দক্ষতার ঘাটতি ও রাজনীতিবিদদের হঠকারিতায় দেশ ক্রমেই গভীর এক সংকটে নিপতিত হচ্ছে। এ কথা ভেবে সাধারণ মানুষ ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন। পাশাপাশি দেশ ও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের বিরাট এক সুযোগ পেয়েও রাজনীতিবিদদের অপরিণামদর্শী ও ব্যক্তিস্বার্থকেন্দ্রিক রাজনীতিচর্চায় জনগণ বেশ বিরক্ত। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মলাভের অর্ধশতাব্দী অতিক্রান্ত হয়েছে। সদ্য স্বাধীন একটা দেশ নানা সংকট বা জটিলতার মধ্য দিয়ে যায়। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম ছিল না। কিন্তু আমাদের কাছাকাছি স্বাধীন হওয়া দেশগুলো (যেমন মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর) একটা সময় পর অতি দক্ষতায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন হয়েছে লক্ষণীয় মাত্রায়। বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে। এমনটা হওয়ার পেছনে একটা ফ্যাক্টরকে চিহ্নিত করা হলে সেটা হবে তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব। দুঃখজনকভাবে সত্যি যে বিগত পাঁচ দশকে আমরা তেমন টেকসই রাজনৈতিক নেতৃত্ব পাইনি। ভাগ্যক্রমে যাদের পেয়েছিলাম, তাদেরও বেশিদিন রাখতে পারিনি। ফলে এ জাতির দুর্দশা ঘোচানোর মতো যোগ্য নেতা বা গ্রহণযোগ্য আদর্শের অনুপস্থিতি এ মুহূর্তের সবচেয়ে বড় সংকট বলে ধারণা করা যায়। আমাদের প্রচলিত রাজনীতিবিদরা যেসব আদর্শের কথা বলেন বা যাদের তাত্ত্বিক নেতা বলে দাবি করেন তাদের বর্তমান কর্মকা- সেগুলোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সেক্ষেত্রে হয় তারা প্রচারিত আদর্শ বোঝেন না অথবা কৌশলে সেটাকে পাশ কাটিয়ে নিজেদের রাজনীতিকে অর্থবিত্ত কামানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। ফলে তাদের মুখের কথা আর কাজ মিলছে না। আর সে কারণেই জনগণ তাদের বিশ্বাস করতে পারছে না। এমন বাস্তবতায়ও তারা ব্যক্তি বা দলের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ভাবতে পারছেন না। সাধারণ মানুষ যে তাদের দূরতম ভাবনায়ও নেই, তাদের কর্মকা-ে অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এটা বোঝার জন্য আমরা সক্রিয় রাজনীতিকদের সাম্প্রতিক কাজকর্ম ও বক্তৃতা লক্ষ করলে দেখব তারা বারবার জোর দিচ্ছেন একেবারে ভুল জায়গায়। তারা অধিকাংশই নিজেদের আদর্শকে সমুন্নত করা, নিজ দলের কর্মসূচিকে সুউচ্চে তুলে ধরা কিংবা নিজ প্রতিশ্রুতির জায়গা স্পষ্ট করছেন না। বরং তাদের মূল ফোকাস থাকছে প্রতিদ্বন্দ্বীদের সমালোচনা! অর্থাৎ অমুক খারাপ, তমুকের এ সমস্যা...তাই তোমরা আমাকে বেছে নাও! অনেকেরই এমন কথার বাইরে বলার মতো নিজেদের কোনো কথা নেই। আরো সংকট হলো তারা যেটুকু এমন কথা বলেন, সাধারণ মানুষ তা বিশ্বাস করে না। ফলে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তারা সেটা হয় ধরতে পারছেন না অথবা বুঝলেও সেটার গুরুত্ব উপলব্ধি করছেন না। কারণ তারা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গেছেন যে, এ দেশের হতভাগ্য জনগণের তাদের বেছে নেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই! প্রবীণ বা প্রাচীনপন্থী রাজনীতিবিদদের মধ্যে এমন ভাব থাকাটা আমাদের খুব একটা বিস্মিত করে না। কারণ আমাদের সংস্কৃতিতে একটা বয়সের পর মানুষ আর নতুন কিছু শিখতে চায় না। ফলে তারা অবশিষ্ট সময়টুকু প্রচলিত ধারার রাজনৈতিক চর্চা দিয়েই কাটিয়ে দেবেন - সেটা অনুমেয়। কিন্তু আমাকে খুব বিস্মিত করেছে একেবারে তরুণ রাজনীতিকদের এমন ভাবনা ও তার নিঃসংকোচ বহিঃপ্রকাশ। বিশেষত ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজ আদর্শ, পরিকল্পনা ও আকাক্সক্ষা প্রচারের চেয়ে অন্যদের সমালোচনায় বেশি ব্যস্ত ছিল। অন্যেরা খারাপ তাই তার ভোট পাওয়ার অধিকার লাভ হয়েছে - এমন একটা ভাব প্রচারণায় স্পষ্ট ছিল! তার মানে সেই ব্যক্তিদের নিজস্ব কোনো আদর্শ বা বক্তব্য নেই, যা ভোটারদের মন জয় করার জন্য যথেষ্ট। এমন প্রবণতা সত্যিই হতাশাজনক। এমনকি চব্বিশের গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে উঠে আসা অনেকের মধ্যেও এমন প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে! আমাদের জাতীয় জীবনে ৪৭, ৭১, ৯০ ও ২৪-এর মতো ক্ষণ সহসা আসে না। আপামর জনগণ স্বৈরশাসকদের দীর্ঘদিন সহ্য করার পর একপর্যায়ে এমন পরিবর্তনের জন্য নিজের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে কার্পণ্য করে না। কিন্তু বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে পাওয়া সেই অর্জন খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই হতাশায় রূপ নেয় প্রজ্ঞাবান ও দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতৃত্বের অভাবে। এবারো তার লক্ষণ স্পষ্ট। ফলে আদর্শ ও গন্তব্যহীন রাজনীতিকদের পদতলে অনন্য অর্জন ভূলুণ্ঠিত হওয়া ক্রমেই অনিবার্য হয়ে উঠছে। গত এক বছরে বড় রাজনৈতিক দলগুলো ও নেতারা জাতিকে সেভাবে আশার আলো দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি আবারো দীর্ঘমেয়াদে এক নিষ্পেষণের মধ্যে পড়ার লক্ষণ স্পষ্ট হচ্ছে। তেমনটা হলে দেশ গভীর এক সংকটে নিপতিত হবে, যা থেকে উত্তরণের পথ পাওয়া মোটেও সহজ হবে না। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে বারবার জাতীয় নির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে। উনারা বেশ জোর দিয়ে কথাটা বললেও ঘোষিত সময়ে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষের মনে সন্দেহ রয়েছে। কারণ অতি চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য যে ধরনের প্রস্তুতি নেয়া দরকার তার লক্ষণ স্পষ্ট নয়। ফলে আটঘাট বেঁধে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে নির্বাচনের মাঠে না নেমে যেনতেনভাবে একটা কিছু করার চেষ্টা করলে দেশ দীর্ঘমেয়াদি ও গভীর এক সংকটে পড়বে তা বলা নিষ্প্রয়োজন। কারণ রাজনৈতিক নেতাদের বিগত সময়গুলোর কর্মকা-ে দেশ ও জনগণের প্রতি কমিটমেন্টের চেয়ে তাদের দলীয় ও ব্যক্তিস্বার্থ প্রাধান্য পেয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে হঠাৎ করে তারা সেই ধারা থেকে বেরিয়ে আসবেন তেমনটা ভাবার কারণ নেই। নব্বইয়ের গণআন্দোলনে নেতৃত্বদানকারীদের অনেকে এখন জাতীয় রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আমরা সেই সময়কালকে ভিত্তি ধরলেও গত কয়েক দশকে মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থা, শিক্ষা-সচেতনতার অবস্থা, তথ্যের প্রবাহ, লাইফস্টাইল প্রভৃতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু আমাদের নেতারা জনগণকে সেই পুরনো ধাঁচে পরিচালনার স্বপ্নে বিভোর রয়েছেন। তারা জনগণকে ম্যানিপুলেট করার ব্যাপারে অতি আত্মবিশ্বাসী আচরণ করছেন। হয়তো সুবিধাবাদী ও ধান্ধাবাজ সমর্থকদের স্লোগানের ভিড়ে তারা আমজনতার ক্ষীণ কণ্ঠস্বর শুনতে ব্যর্থ হচ্ছেন। তবে এ দেশের তরুণরা যে বড় পরিবর্তনের এজেন্ট হিসেবে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখতে কার্পণ্য করে না - তা এখনি বুঝতে ব্যর্থ হলে সময় হয়তো সংশ্লিষ্টদের ক্ষমা করবে না। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোয় তরুণরা লক্ষণীয় এক কা- ঘটিয়েছেন। সেখানে অনেকগুলো ইঙ্গিত রয়েছে। কিন্তু প্রচলিত ধারার রাজনীতিক ও তাদের উপদেষ্টারা অতি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সেই পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটছেন আর ভোটাররা ভুল করছে ভেবে তারা তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছেন! কিন্তু পরিবর্তনের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে ব্যর্থ হলে রাজনীতির মঞ্চ থেকে ছিটকে পড়তে হবে - এ ব্যাপারটা এখনো অনেকেই ধরতে পারছেন না। আগামী দিনের রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে জনগণের, বিশেষত তরুণদের মনোভাব বুঝতে হবে। তাদের প্রত্যাশাকে নিজ দলের আদর্শ ও কর্মকা-ে প্রতিফলিত করতে হবে। তাদেরকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা নিজের পায়ে কুড়াল মারার শামিল - বিষয়টা অনেকেই ধরতে পারছেন না। দীর্ঘমেয়াদে এমনটা চলতে থাকলে যখন পতনের ক্ষণ উপস্থিত হবে তখন আর ঘুরে দাঁড়ানোর সময় ও সুযোগ কোনোটাই অবশিষ্ট থাকবে না। তাই শুধু নিজ দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে জনপ্রত্যাশা উপলব্ধি করতে হবে এবং প্রয়োজনে নিজেদের ভেঙে আবার গড়তে হবে। সেটা করতে এবারো ব্যর্থ হলে আগামীদিনের রাজনীতির মোড় ঠিক কোনদিকে যাবে কিংবা এ জাতির কপালে সত্যিই কী আছে - তা অনুমান করাও অসম্ভব হয়ে পড়ছে। তাই সময় থাকতে সাধু সাবধান। [ড. মো. আব্দুল হামিদ : সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) অতিরিক্ত পরিচালক]

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
জ্বালানি সংকটে ভোগান্তি বাড়ছেই

জ্বালানি সংকটে ভোগান্তি বাড়ছেই